মো. নুরুল করিম আরমান, লামা:
লামা উপজেলা-এ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২৬ উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনকে ঘিরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার দুপুরে লামা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি-এর উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী।
এ সময় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক নাজেম উদ্দিন, ওয়াহেদ উল্লাহ, আব্দুল মোমিন ও খালেদা বেগমসহ শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষকরা জানান, ২৫-০১-২০২৬ তারিখে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভা, উপজেলা পরিষদ এবং প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সভায় সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে সিসি ক্যামেরা ক্রয়ের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সময় স্বল্পতার কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধান শিক্ষকেরা একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন।
তাঁদের দাবি, বিধি মোতাবেক সিসি ক্যামেরা স্থাপনের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং এ কাজে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তবে দৈনিক যুগান্তর-সহ কয়েকটি পত্রিকায় নির্বাহী অফিসার ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার টাকা আত্মসাৎ করেছেন মর্মে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও অপসাংবাদিকতার সামিল বলে দাবি করেন শিক্ষকরা।
